চাতকের মত অপেক্ষায় পর্যটনকেন্দ্র বকখালী সমূদ্রসৈকত


সেখ নুরুদ্দিন,দঃ ২৪ পরগণা: আর মাত্র কদিন বাকি বাঙালির বড়ো উৎসব, আনন্দ ও প্রাণের উৎসব দুর্গাপূজা ৷ এবার চারিদিকে নেই “আনন্দধারা বহিছে ভুবনে”র সুর। প্রতি বাঙালির কাঙ্ক্ষিত এই উৎসবের আনন্দের চেহারাটা এবার অন্যরকম। প্রতি বছরের মতো এবারের আনন্দটা কেমন যেন করোনা আবহে ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।বকখালি সমুদ্র সৈকত ভূমি কেমন যেন নিস্তব্ধ, নিথর, নিষ্কম্প হয়ে গেছে। বিস্তৃত সৈকত থমথমে। স্তব্ধ হয়ে রয়েছে পর্যটন কেন্দ্র। প্রতি বছর পুজোর মরশুমে বকখালি পর্যটনকেন্দ্র জন জোয়ারে প্লাবিত হয়। কিন্তু এবারের নীরবতায় সমগ্ৰ বকখালি যেন অসহায় হয়ে কাঁদছে। এলাকার সাধারণ ছোট খাটো ব্যবসায়ীদের মনে আকাল দুর্যোগের ছায়া নেমেছে। কপালে চিন্তার ভাঁজ। ভবিষ্যতে সামান্য পুঁজি সঞ্চয় করার জন্য ওই পূজার মরশুম ভরসা। হায়রে কপাল! হতভাগাদের সহায় বিধির বিধানে কাঁটা। বন্ধ হোটেল খুললেও দেখা নেই পর্যটকদের।ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী থেকে বড়ো হোটেল মালিক সকলের চোখে মুখে দুঃশ্চিন্তার ছাপ। যেখানে লোকজন সর্বদা ভরপুর যেথা এখন নির্জনতা। বারুইপুর থেকে মোটরসাইকেল করে সস্ত্রীক কয়েকটি পরিবার সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণে এসে হতাশ। পর্যটন কেন্দ্রে আগন্তুক আমিরুল্লা হক(পঃ সঃ আধিকারিক)আশ্বাস দিলেন,- “পৃথিবী আবার শান্ত হবে।একদিন ঝড় থেমে যাবে।” করোনা আবহে অতিষ্ঠ প্রায় সব মানুষ। দীর্ঘ একঘেঁয়েমি কাটাতে অনেকেই শশব্যস্ত হয়ে বেরিয়ে পড়ছেন একটু মানসিক তৃপ্তির খোঁজে।তবুও সংশয় , কী হবে, কী হবে??শুভ দিনের প্রতীক্ষায় দিন গুনছে সবাই।ছন্দে ছন্দে বদলে যাবে রঙ। পুরানো সব দিন অশুভ মুছে যাবে। নতুন আলো জাগবে। আশায় আমবাঙালি।।

শেয়ার করুন