ছোট্ট শিশুর কৌতুহলী মনে মৃৎশিল্পী সত্তা:

ছোট্ট শিশুর কৌতূহলী মনে মৃৎশিল্পী সত্তা ……………………… পাথরপ্রতিমা: সেখ নুরুদ্দিন স্কুল ছুটি। পড়াশোনার চাপ নেই। কৌতূহলী শিশু মন অজান্তেই হয়ে উঠেছে মৃৎশিল্ল্পী। কী অসাধারণ কারুকার্য। কাদামাটি দিয়ে এমন ভাস্কর্য শান্তি নিকেতনের আঙিনায় প্রচুর হলেও গ্রামীন এলাকায় সচরাচর চোখে পড়েনা। অবশ্য কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়, তার কারন মাটির প্রতিমা নির্মাণ মৃৎশিল্পের এক অনন্য নিদর্শন। যা গ্রামের অখ্যাত শিল্পীদের কারুকার্যখচিত। মৃৎশিল্পীদের যোগ্য সম্মাননা প্রাপ্তির দরকার। সরকার লোকসংস্কৃতি শিল্পীদের যেমন করে সাহায্য করছে, তেমনি সাহায্য করা প্রয়োজন গ্রামীণ এলাকায় বসবাস কারী মৃৎশিল্পীদের। প্রদত্ত নির্মাণ কারুকার্য টি সম্পূর্ণরূপে চতুর্থ শ্রেণীর (ব্রাইট ফিউচার অ্যাকাডেমি, নামখানা, রাজনগর) ছাত্র হেমায়েত কবিরের স্বহস্তে নির্মিত। প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে হেমায়েত কবির। শিক্ষা গ্রহণের টানে মামার বাড়িতে আশ্রিত।তার বাড়ি পাথর থানার অন্তর্ভুক্ত দুর্বাচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নজরুল মোড় সংলগ্ন।দীর্ঘ লকডাউনে গ্রামের স্কুলে নেই অনলাইনে পঠন পাঠন ব্যবস্থা। মাস্টার মশাইদের স্টাডি ম্যটারিয়ালস ই ভরসা। শিশু মনের অন্দরে কত শিল্পী সত্তা আছে এই অবসর না হলে হয়তো প্রকাশ পেতো না। এমনি করে হারিয়ে যায় কত শত শত প্রতিভা একটু প্রশিক্ষণ ও অনুপ্রেরণার অভাবে। শিশু মনের ক্যানভাসে দুটো শাবল/শোল মাছের অবিকল প্রতিচ্ছবি আভাসিত। সে পড়াশোনার পাশাপাশি ছিপ ফেলে মাছ ধরতে ভালোবাসে। আর ভালোবাসে মনের মাধুরী মিশিয়ে কাদামাটি দিয়ে প্রতিকৃতি নির্মাণ করতে। তার শৈশবের ভালোলাগার অনুভূতি তে আছে অকপট সরলতা। আছে মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ। শিল্পী যে সে নিজেই এখনো টের পায়নি।

শেয়ার করুন