বঙ্গে বর্ষা আসতে নদী ভাঙন শুরু চিৎনানে, পরিদর্শনে ব্লক সভাপতি সহ সেচ দপ্তরের কর্মীরা

নিজস্ব সংবাদদাতা,হাওড়াঃ
উত্তর দিক থেকে দুটি ভাগে ভাগ হয়ে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে প্রবাহমান মুন্ডেশ্বরী নদী,দক্ষিন দিক দিয়ে প্রবাহমান রূপনারায়ন মাঝে দ্বীপ অঞ্চল আমতা (২) ব্লকের ভাটোরা,ঘোড়াদহ ও চিৎনান গ্রাম। চর্তুসীমা বলতে চারিদিকে নদী মাঝে এই তিনটি গ্রাম। বাম আমলে উন্নয়ন বলতে ছিল ইঁটের রাস্তা আর বাঁশের সাঁকোয় সাধারণ মানুষের যাতায়াত। ঐ রাস্তায় হসপিটালে আসার পথে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে বহু প্রসূতি ও সাপের কামড়ে অসহায় রোগীর। বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে রাস্তাঘাটের উন্নতির পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন ঘটেছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি। ইতিমধ্যে কুলিয়া ব্রীজ তৈরির জন্য সমস্ত প্রকার পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বর্ষা শেষে এই ব্রীজের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্লক সভাপতি সুকান্ত পাল। তবে বর্ষায় আসার সাথে সাথে বন্যার পাশাপাশি রূপনারায়নের ভাঙনে ঘুম ছুটেছে ভাটোরা,চিৎনান ও ঘোড়াদহ গ্রামের বাসিন্দা। ইতিমধ্যে রূপনারায়নের ভাঙনের ফলে পার গুলি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে একাধিক রাস্তা। রূপনারায়নের গ্রাসে বিঘার পর বিঘা চাষ জমি ও একাধিক বাড়িঘর। ফলে সর্বশান্ত একাধিক পরিবার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একব্যক্তির দাবি -” রাজনীতিই আমাদের সবশেষ করেদিলো,দুবার নেতারা এসে আমাদেরকে আশ্বস্ত করে যায় একবার ভোটের সময় আর একবার বন্যার সময়। ভালো করে নদীর ভাঙনের কাজ হবে বর্ষাটা কাটলেই। আর বর্ষা শেষ হলেই দেখা নেই “। শনিবার ভাঙন কবলিত চিৎনান এলাকা ঘুরে দেখেন আমতা(২) ব্লক সভাপতি সুকান্ত পাল সহ জেলা সেচদফতরের আধিকারিকরা। এই প্রসঙ্গে ব্লক সভাপতির দাবি ” এটা এই দ্বীপ এলাকার মানুষের দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যা। যাতে এই সমস্যার দ্রূত সমাধান হয় তার জন্য আমি সেচ ও জলসম্পদ বিভাগের দৃষ্টি ইতিমধ্যেই আর্কষন করেছি। আশা করছি এই এলাকার ভাঙনের দ্রূত সমস্যার সমাধান হবে।

শেয়ার করুন