বাঁকুড়ায় ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনায় পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগে মিছিলে ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব সংবাদদাতা,হাওড়াঃ
করোনা আবহের মধ্যে দুঃস্থ ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে গত ৫ ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে প্রয়াত সিপিআইএম নেতা জীবন মাইতি স্মরনে জেলাজুড়ে ১০ হাজার ইউনিট রক্তসংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা রেখে ব্লাডব্যাঙ্ক গুলিতে রক্তের সংকট মেটানোর উদ্যোগ গ্রহন করেছিল রাজ্য বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। রক্তদান শিবির চলাকালীন একদল দুস্কৃতি ভাঙচুর,চিকিৎসকদের মারধর,রক্ত নষ্টের পাশাপাশি বোমাবাজি করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের তীর ছিল স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ও উপপ্রধানের বিরুদ্ধে।

ঘটনার পাঁচদিন পরেও দোষীরা গ্রেপ্তার না হয়ে এলাকায় ঘোরাঘুরি করায় পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগে সরব হয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করল হাওড়া জেলা বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। এদিন সদর হাওড়ার সলপ বাজার দলীয় কার্য্যালয় থেকে মিছিল শুরু করে বাঁকড়া দলীয় কার্য্যালয় মুজফ্ফর আহমেদ ভবনে শেষ হয়। মিছিল শেষে বাঁকড়ায় দলীয় কার্য্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সভা করে বাম নেতৃত্ব। এদিনের এই কর্মসূচীতে উপস্থিত থেকে মিছিলের নেতৃত্ব দেন জেলা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান তথা সিপিআইএম জেলা সম্পাদক বিপ্লব মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রীদীপ ভট্টাচার্য্য,ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক মোহন্ত চট্টোপাধ্যায় সহ বহু বামকর্মী সর্মথকরা।

প্রতিবাদ সভা থেকে জেলা বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিপ্লব মজুমদার বলেন-” এ কোন রাজত্বে রাজ্যের মানুষ বাস করছে? কাদের কেই বা সরকার চালানোর দায়িত্ব আপনারা দিয়েছেন? যে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার ব্যর্থ হওয়ায় আমাদের কর্মীরা রক্তদান শিবির করে মানুষকে বাঁচানোর শপথ নিয়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল। আর তৃণমূল গুন্ডা বাহিনী সেই রক্ত বোম মেরে,ভাঙচুর করে নষ্ট করল। দুস্কৃতিরা তৃণমূল কংগ্রেসের হওয়ায় আজও তাদের পুলিশ ধরতে ভয় পাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী একটা শব্দ উচ্চারণ করে গ্রেপ্তার করতে বললেন না পুলিশকে। অথচ দুর্গাপূজা নিয়ে কেউ একটা কী পোষ্ট করেছিল তাতে তিনি কানধরে উঠবোস করানোর কথা বলতেই গ্রেপ্তার হল অভিযুক্তরা। দোষীরা গ্রেপ্তার নাহলে সমস্ত হাওড়াকে অচল করে নবান্নে আসা বন্ধ করবে বামকর্মীরা “।

শেয়ার করুন