বাম সংগঠনের নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ নদীয়ার কৃষ্ণনগরে


নিজস্ব সংবাদদাতা,নদীয়া:বাম সংগঠনের ইউনিয়ন গুলোর ডাকে কৃষ্ণনগরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জেলা প্রশাসনের নিকট ডেপুটেশন জমা দিল। বেশ কিছু দাবি নিয়ে আজকের এই কর্মসূচি পালন করা হয় বাম সংগঠন গুলির পক্ষ থেকে । আজকের কর্মসূচিতে যেগুলো ছিল সেগুলি হল অবিলম্বে সরকারকে সরকারি সংস্থা ও সম্পত্তি বেচে দেওয়া চলবেনা।অবিলম্বে শ্রমিকদের অধিকার হরণ করে শ্রম আইন সংশোধন করে আট ঘণ্টার পরিবর্তে ১২ ঘণ্টা কাজের সময় সূচি তৈরি করতে হবে। করোনা ভাইরাসের অজুহাতে শ্রমিকদের কাজের অধিকার কেড়ে নিয়ে কর্পোরেট হাউসের হাত করা চলবে না।

বাম সংগঠনের বিশিষ্ট নেতা মাননীয় উজ্জ্বল রক্ষিত মহাশয় জানান যে একদিকে রেল কয়লা খনি ও রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পগুলোকে বেসরকারি করণের পথে নিয়ে যাচ্ছে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং আগামীতে দেশটাকে বিক্রির উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে। যখন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে পথে নামেন তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস তৈরি করে বাম নেতৃত্ব কে গ্রেফতার করে লালবাজারে নিয়ে যাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর অগণতান্ত্রিক আচরণ রাজ্যের মানুষের কাছে অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি আরো জানান যে বা যারা সরকারি সম্পত্তি লুট করে নিচ্ছেন সেই সমস্ত লোকেরা প্রকাশ্যে তৃণমূলের ছাতার তলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

অবিলম্বে সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে হবে ও দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা শাসকের নিকটে বাম সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয় জেলা শাসকের হাতে, প্রধানমন্ত্রীর নিকট পৌঁছে দেওয়ার জন্য। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মূলত দাবিগুলো স্মারকলিপি করা হয় এবং মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলা হয় অমফান দুর্নীতিতে যারা যুক্ত তাদের যদি গ্রেফতার না করা হয় তাহলে আগামীতে বৃহত্তর থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে বাম সংগঠন দলগুলি । আজকে কর্মসূচিতে মূলত নবীন-প্রবীণ সকলেই যোগদান করে। ছিলেন সাংগঠনিক বিশিষ্ট নেতা এস এম সাদী , উজ্জ্বল রক্ষিত, অমল তরফদার, অজিত বিশ্বাস সুমিত চাকি এবং প্রবীর দত্ত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন