ভরা জোয়ার ও নিম্নচাপের জেরে বিভিন্ন জেলা জলমগ্ন : বন্যার আশঙ্কা

ডেস্ক রিপোর্ট:উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের ফলে দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি ও কৌশিকী অমাবস্যার কোটালের জোয়ারে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ৷ প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য ও ছবিতে রিপোর্ট ৷

হাওড়া: উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের ফলে দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি ও কৌশিকী অমাবস্যার কোটালের জোয়ারে হাওড়া জেলার দামোদর,মুন্ডেশ্বরী,রুপনারায়ন সহ একাধিক নদীতে জলস্তর বৃদ্ধির ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কায় জেলার ধান,পাট,সবজি ও ফুল চাষ। ফলে অগ্নিমূল্য হওয়ার আশঙ্কায় মধ্যবৃত্তের হেঁসেল। ইতিমধ্যেই জেলাজুড়ে টানা বৃষ্টির প্রভাবে নদী তীরবর্তী এলাকা বাউড়িয়া,উলুবেড়িয়া,শ্যামপুর,বাগনান এলাকার একাধিক গ্রামে জল ঢুকে ব্যাহত করেছে স্বাভাবিক জনজীবন।

অপরদিকে নদী গুলির জলস্তর বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিভিসি জল ছাড়লে বন্যা হওয়ার আশঙ্কায় ঘুম ছুটেছে গ্রামীণ হাওড়ার উদয়নারায়নপুর,আমতা,জয়পুর,বাগনান,শ্যামপুর সহ একাধিক থানা এলাকার কৃষকদের। যদিও বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধানে চলতি বছরের ৫ ই ফেব্রুয়ারি বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের উদ্যোগে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহায়তায় নিম্ন দামোদর অববাহিকা সম্প্রসারনের উদ্যোগ গ্রহন করা হলেও সাম্প্রতিক লকডাউন ও বর্ষার কারনে কিছুটা থমকে থাকে সে কাজ। ফলে বন্যার আশঙ্কায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে এলাকার কৃষকরা। যদিও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে নদী বাঁধ গুলিতে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি বন্যার সমস্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। ইতিমধ্যে মজুত করা হয়েছে সমস্ত সামগ্রী

পূর্ব মেদিনীপুর: গভীর নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি তার সাথে অমাবস্যা কটালে ভরা নদীর জল গতকাল থেকেই তমলুক শহরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। আজ সকাল থেকে তাম্রলিপ্ত পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডের প্রায় ৯০০ জনকে রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়। তাম্রলিপ্ত পৌরসভার প্রশাসক রবীন্দ্রনাথ সেন, স্থানীয় কাউন্সিলর স্নিগ্ধা মিশ্র সহযোগিতায় এই রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়। আজ আবার নতুন করে ওই একই এলাকা আবার প্লাবিত হয়।খেলার মাঠ থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে জল ঢুকে যায়। রাজ্য সরকারের ঘোষিত লকডাউন থাকা সত্ত্বেও উৎসাহী মানুষজন ভিড় জমায় প্লাবিত হয় এলাকা দেখতে।
তমলুক: গভীর নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি তার সাথে অমাবস্যা কটালে ভরা নদীর জল গতকাল থেকেই তমলুক শহরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। আজ সকাল থেকে তাম্রলিপ্ত পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডের প্রায় ৯০০ জনকে রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়। তাম্রলিপ্ত পৌরসভার প্রশাসক রবীন্দ্রনাথ সেন, স্থানীয় কাউন্সিলর স্নিগ্ধা মিশ্র সহযোগিতায় এই রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়। আজ আবার নতুন করে ওই একই এলাকা আবার প্লাবিত হয়।খেলার মাঠ থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এলাকার বেশ কিছু বাড়িতে জল ঢুকে যায়। রাজ্য সরকারের ঘোষিত লকডাউন থাকা সত্ত্বেও উৎসাহী মানুষজন ভিড় জমায় প্লাবিত হয় এলাকা দেখতে।

শেয়ার করুন