মাছের ঘেরের জন্য কৃষি জমিতে বাঁধ দেয়ার অভিযোগ


নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট ব্লকের সাগরবাড় অঞ্চলের নহলা গ্রামের দু ফসলের কৃষিপণ্য জমিতে মাছের ভেড়ি করার জন্য ভোর রাতে চাষীদের অজান্তে কিছু দালালের পল হণে কৃষিজমি দখলের অভিযোগ করেন কৃষকরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বেশির ভাগ কৃষিপণ্য জমিন ফিশারি, মাছের ভেড়ি গর্জে উঠেছে। দালালের মারফত কৃষি পুরনো জমিন চলে যাচ্ছে ভেড়ির মালিকের হাতে। দু ফসলের জমিনে কিছু অসাধু ব্যক্তি টাকার লোভে ভেরি তৈরি করে দিচ্ছে। কোলাঘাট ব্লকের কৃষক সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা নারায়ণচন্দ্র নায়েক যানান যে কোলাঘাট ব্লকের সাগরবাড় অঞ্চলের নহলা মৌজায় রাতের অন্ধকারে মাছের ভেরি তৈরি করার জন্য মাটি খনন করার জন্য জেসিবি মেশিন আনে। এরপর চাষীরা বাধা দেয়। বাধার মুখে পড়ে ভেরি মালিক পিছু হটেছে। কিন্তু চাঞ্চল্যকর অভিযোগ চাষীদের অজান্তে কি করে মাছের ভেড়ি করার জন্য খনন কাজ শুরু হয়েছে। যদিও ভেড়ির মালিকের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাগরবাড় অঞ্চলের প্রধান চম্পা রানী ভৌমিক জানান যে নহলা মৌজার দুই ফসলের কৃষিপণ্য জমিনে মাছের ভেড়ি তৈরি করার জন্য কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি। অবৈধ ভাবে মাছের ভেড়ি তৈরি করে ছিল ওরা । ওই গ্রামের কৃষকরা জমি দিতে অনিচ্ছুক। যাতে মাছের ভেড়ি না হয় তার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। এখানে বড় প্রশ্ন কি করে কিছু দালালের মারফতে কিছু কৃষি পূর্ণ জমিন চলে যাচ্ছে ভেড়ির মালিকের হাতে। আর সেই জমিন চাষীদের অজান্তে মাছের ভেড়ি তৈরি হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে বিজেপি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। কোলাঘাট বিজেপি নেতা বিবেক চক্রবর্তী জানান যে ২০০৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর তাদের মূল দাবি ছিল কৃষি জমিন বাঁচানোর। যার উদাহরণ স্বরূপ বলেন নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুর। আর ক্ষমতায় আসার পর তারাই দলের নেতারা কিছু মুনাফার জন্য কৃষি পূর্ণ জমিন দালালের মারফত মাছের ভেড়ি মালিকের হাতে তুলে দিচ্ছে এদের চরিত্র এমনই। যদিও এই ঘটনায় দু’পক্ষকেই একত্রিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কোলাঘাট থানার পুলিশ।

শেয়ার করুন