রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় লকডাউন কার্যকরে পুলিশি তৎপরতা


এসপ্লাস নিউজ ডেস্ক:রাজ্য জুড়ে আবার লাগু হলো লকডাউন ৷ জেলায় জেলায় লকডাউন কার্যকর করতে তৎপর পুলিশ প্রশাসন ৷ বিভিন্ন জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে এ্যাকশনে পুলিশ ৷ জেলা প্রতিনিধি এবং নিজস্ব সংবাদদাতাদের রিপোর্ট ৷

ঝাড়গ্রাম: লকডাউনের প্রথম দিনেই ব্যাপক প্রভাব ঝাড়গ্রাম জেলায়। ঝাড়গ্রাম জেলার ঝাড়গ্রাম শব্জী মার্কেট,জুবলী মার্কেট,ঝাড়গ্রাম পাঁচ মাথা মোড় এলাকায় এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেল। বন্ধ দোকানপাট, শুনশান রাস্তাঘাট।

বাঁকুড়া: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাঁকুড়া শহরের অন্যান্য দিনের চেনা ছবিটা উধাও। দোকানপাট বন্ধ। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বেরোচ্ছেননা। একই সঙ্গে শহর জুড়ে চলছে পুলিশের নজরদারি। রাস্তায় বেরোনো মানুষকে পড়তে হচ্ছে পুলিশী জেরার মুখে।

মালদহ: মালদহ জেলা জুড়ে লকডাউনের চিত্র ৷ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চলছে ইংরেজবাজার থানা পুলিশের নাকাচেকিং। মালদা শহরে ঢোকার মুখ কমলাবাড়ি ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে নাকা চেকিং করে একাধিক গাড়ি আটকে দেওয়া হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে। মাস্ক বিহীন মানুষদের বিনা কারনে দেখলেই পুলিশের তরফে কড়া ধমক দেওয়া হচ্ছে। তার পাশাপাশি বিনা কারণে রাস্তায় বের হওয়া সাধারণ মানুষকে আটক করে বাড়ি ফেরানো হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

পশ্চিম মেদিনীপুর: প্রথম দিনের লকডাউনে সারা রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের গ্রাম্য এলাকা মহারাজপুর গ্রামে একই চিত্র উঠে এলো,যেখানে শুনশান রাস্তাঘাট, দোকানপাট বন্ধ,বাজার ঘাট বন্ধ, লোক চলাচল নেই বললেই চলে, মূলত এক কথায় বলা যেতে মহামারী ভাইরাসের সচেতনতায় গ্রামের মানুষ যে সচেতন সেটাই বলা বাহুল্য।

পূর্ব মেদিনীপুর: জেলায় যেন আবার ফিরে এলো সেই প্রথম দফার লক ডাউনের চিত্র। বৃহস্পতিবার দিনভর পুলিশের ডান্ডার ভয় একে বারে কার্যত ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার ও শনিবার পূর্ণ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই লকডাউনে আবারও সেই প্রথম দফার লকডাউনের মতো পুলিশের ডান্ডার ভয়ে ঠান্ডা গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন জেলার এক বিধায়ক সহ  ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকও। ফলে আতঙ্ক বাড়ছে জেলা জুড়ে। জেলার বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যে কোথাও এক সপ্তাহ আবার কোথাও এক বেলা বাজার বন্ধ রেখে লকডাউন পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় ব্লক ও জেলা প্রশাসন। বাজার হাট থেকে রাস্তাঘাট সমস্তই একে বারে শুনশান হয়ে পড়ে। সৈকত শহর দিঘাও একে বারে জন মানব শূন্য হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি কাঁথি, এগরা, তমলুক, মহিষাদল, হলদিয়া সর্বত্রই একে বারে শুনশান। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন রাস্তায় পুলিশের টহল বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করা যায়। জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চলে নাকা চেকিং।

পশ্চিম বর্ধমান : লকডাউন অমান্যকারীদের চলছে ধরপাকড়। মাস্ক না পরলেই ১৮৮ ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে। থানায় বেশ বেশ কিছুক্ষণ বসিয়ে ভুলের উপলব্ধি করিয়ে তারপর জামিন দেওয়া হচ্ছে। লকডাউনে বিনা প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া, মুখে মাস্ক না পরার জন্য একশ্রেণীর মানুষদের পুলিশ বোঝাচ্ছে তবু একশ্রেণীর মানুষ এতেও যে সতর্ক নয়, তা পুলিশের ধরপাকড়েই স্পষ্ট হয়েছে। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছিলো কড়াকড়ি লকডাউন ৷

দক্ষিন দিনাজপুর : সপ্তাহের প্রথম দিনেই রাজ্য জুড়ে চলছে করার সম্পূর্ণ লকডাউন সেই লকডাউন সফল করতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসন তৎপর ছিল সফল করার জন্য পাশাপাশি লকডাউন অমান্যকারীদের মোক্ষম দাওয়ায় দেওয়ার জন্য প্রতি মুহূর্তে জেলা পুলিশ প্রশাসন দিচ্ছিলেন জেলাজুড়ে পাশাপাশি গঙ্গারামপুর শহরের ব্যস্ততম জায়গা থেকে শুরু করে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাটে এমনই চিত্র ধরা পরল সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা থেকে মুক্তি পেতে সরকার প্রশাসনের এই ভূমিকায় করছেন পাশাপাশি সরকারকে জানানো হয়েছে আগামী আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রত্যেক সপ্তাহে বৃহস্পতিবার করে সম্পূর্ণ লোকজন থাকবে শুধুমাত্র ওষুধ অন্যান্য জায়গা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে সম্পূর্ণভাবে লোকজন পালন হচ্ছে এদিন সকাল থেকেই তাদের সবকিছু বন্ধ ছিল পাশাপাশি শব্দ হয়েছিল জেলা অমান্যকারীদের লাঠি হাতে রাজপথে নেমেছেন তাদের এই অভিনব জানিয়েছেন জেলা বাসিরা ৷

শেয়ার করুন