সিপিএম কর্মীকে হত্যার প্রদিবাদে থানা ঘেরাও:বিক্ষোভ


নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর: মনে রাখবেন পশ্চিম বাংলায় তৃণমূলের রাজত্ব আর নেই তৃণমূলের রাজত্ব শেষ হয়ে গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এক দলীয় কর্মসূচিতে এসে এমনই মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, তিনি আরো বলেন মুখ্যমন্ত্রী এক জন ৫২ বছরের ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দিতে পারেন না, মুখ্যমন্ত্রী ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী, জানা গেছে দলীয় কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে খুন দাবি করে লাগাতার আন্দোলন গড়ে তুলতে উদ্যোগী হল সিপিএম। বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বারাতলা গ্রামে সিপিএম পার্টির সক্রিয় কর্মী দেবকুমার ভূঞাকে গত ৪ জুলাই খুনের প্রতিবাদে খেজুরি থানা ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে সিপিএম। সেই সঙ্গে খেজুরি থানায় গণডেপুটেশনও দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেবকুমারের ‘খুনি’দের শাস্তির দাবিতে থানায় স্মারক লিপিও দেন সিপিএম নেতৃত্ব। এ দিনের অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও সিপিএম পরীষদয়ী দল নেতা সুজন চক্রবর্তী যোগ দেন। তাঁরা জানান। প্রসঙ্গত, গত রবিবার খেজুরির বারাতলা গ্রামে দেবকুমার ভূঞা নামে এক সক্রিয় সিপিএম কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ দাবি করে, বাড়ি থেকেই দেবকুমারের দেহ মিলেছে। তবে সিপিএম নেতৃত্ব দাবি করেন, তাঁকে খুন করে কিছুটা দূরে বামনচকে ফেলে পালায় তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা। দেব কুমারের ‘খুনি’ দের শাস্তির দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চলবে বলে দাবি সিপিএমের। উল্লেখ্য, এক সময় খেজুরি ছিল সিপিএমের আঁতুড়ঘর। কিন্তু গত লোকসভা ভোটে খেজুরিতে সিপিএম দাগ কাটতে পারেনি। সিপিএমের বড়ো অংশের ভোট ব্যাংক গেরুয়া শিবিরে চলে গেছে। তার পর থেকেই হারানো জমি ফিরে পেতে লড়েছে তারা। লকডাউন এবং আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিধ্বস্ত খেজুরির বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন সিপিএমের স্থানীয় নেতারা। এ বার দলীয় কর্মীকে খুন করা হয়েছে অভিযোগে আন্দোলনে যাচ্ছে দল। তবে সিপিএমের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হিমাংশু দাস ও জেলা নেতা মামুদ হোসেন জানিয়ে ছেন, বাম ও কংগ্রেস যৌথভাবে দেবকুমারের খুনিদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। এখন থেকেই গোটা জেলায় লড়াই চলবে।

শেয়ার করুন