সূর্যাস্তের পর পাঁপড়ি মেলল ব্রহ্মকমল

সূর্যাস্তের পর পাঁপড়ি মেলল ব্রহ্মকমল :
ঋদ্ধি চৌধুরী, উত্তরাখণ্ড

অলৌকিক দৃশ্য, উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে বরফাবৃত একাধিক এলাকায় হঠাৎ দেখা গেল “ব্রহ্মকমল”-এর। গুরুব্রহ্মার নামে হিমালয়ে এই বিশেষ ফুলের নামকরণ করা হয়েছে “ব্রহ্মকমল”।

শোনা যায় মাত্ৰ ২ ঘন্টার মধ্যে এর পরিধি হয়ে যায় প্রায় ৮ ইঞ্চি। বছরে একবার ফোটে এই ফুল মাত্র কয়েক ঘন্টার জন্য। এই পবিত্ৰ ফুলের বর্ণনা পুরাণ পুঁথিতেও পাওয়া যায়। এই ফুল কেদারনাথ, বদ্রীনাথের মন্দিরে দেবতাকেও উৎসর্গ করা হয়ে থাকে। কথিত আছে এই ফুল দেখে মোহিত হয়েছিল দ্রৌপদী।

আয়ুর্বেদ ও চিকিৎসা শাস্ত্রেও এই ফুলের ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া ক্ষতস্থান সারাতেও এই ফুলের জুড়ি নেই।

উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি মানুষদের মধ্যে এই ফুলের ব্যবহার প্রচুর রয়েছে। হিমালয়ে ফুলের রাজা বলে মনে করা হয় এই ব্রহ্মকমলকে।

হিমালয়ের যেসব এলাকাতে এই বিরল ফুলটি ফুটতে দেখা যেত, ক্রমশ মানুষের বসতি গড়ে উঠেছে সেখানে। এছাড়া পৰিবেশের তাপমাত্রাও বেড়েছে মাত্রা অতিরিক্ত। ফলে ক্রমশ এই ফুলটি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছিল প্রায়।

পৃথিবীর বুকে এই আশ্চার্য জনক ফুলটি যা সহজেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং আমাদের ভূপৃষ্ঠকে স্বর্গীয় সমতুল্য পবিত্র করে তোলে, এছাড়া জনসংখ্যা ও প্রদূষণের ফলে এই অনন্য পুস্পটি যেন বিলুপ্ত না হয়ে যায়, তাই বর্তমানে উত্তরাখণ্ড সরকার এই ফুলটি সংরক্ষণ করার যথাসাধ্য চেস্টা করছেন।

শেয়ার করুন