হাওড়ার বাগনানে মেয়ের শ্লীলতাহানি রুখতে মায়ের মৃত্যু,অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী

নিজস্ব সংবাদদাতা,হাওড়াঃ
গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ির ছাদে বসে গেম খেলছিলেন গ্রামীণ হাওড়ার বাগনানের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা বছর সতেরোর এক যুবতী। রথযাত্রার দিনে সন্ধ্যায় সকলের অজান্তে বাড়ির পাশে থাকা গাছ বেয়ে ছাদে পৌঁছোয় দুই দুস্কৃতী। মুখ টিপে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে,ঐ যুবতীর চিৎকারে ছুটে আসে তাঁর মা। দুই ব্যক্তির মধ্যে একজনকে চিনে ফেলায় ছাদ থেকে ঠেলা ফেলে দেওয়া হয় মাকে। যুবতীর চিৎকার চেঁচামেচিতে ছাদ থেকে গাছ বেয়ে পালিয়ে যায় ঐ দুস্কৃতীরা। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের চেষ্টায় মাকে উদ্ধার করে বাগনান হসপিটালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। মৃতদেহ বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেলেও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সর্মথক হওয়া স্থানীয় বাগনান থানার পুলিশ অভিযোগ নিতে গড়িমসি করার অভিযোগ করে বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে যায় বিজেপির দুই সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী ও সৌমিত্র খাঁ। যুবতীকে নিয়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচী শুরু করে বিজেপি নেতৃত্ব। দোষীদের গ্রেপ্তারির দাবিতে ৬ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ লকেট চ্যাটার্জীর অভিযোগ – ” এই ঘটনার সাথে যুক্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী কুশ বেরা। তাই পুলিশ ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রচেষ্টা চালিয়ে ঘটনাকে আড়াল করার জন্য করোনা মৃত্যু বলে চালানোর চেষ্টা করছে। অবিলম্বে দোষীকে গেপ্তার করতে হবে এবং মৃতদেহ সৎকারের জন্য পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবো আমরা।
ঘটনাক্রমে বাগনানের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অরুনাভ সেনের বক্তব্য -” ঘটনা চাপা দেওয়ার কোনো চেষ্টা হচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করছে। দোষীরা যাতে শাস্তি পায় পুলিশ তারজন্য সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহন করবে “।

শেয়ার করুন