ফের লকডাউনের পথে দেশ ? আংশিক লকডাউন জারি একাধিক শহরে

দিল্লি : করোনাভাইরাস বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্নভাবে আক্রান্ত করছে আবারো। তাই একই প্রশ্ন উঠছে সবার মনে, ফের কি লকডাউন এর পথে এগোচ্ছে দেশ ?
লকডাউন না হলেও দেশের একাধিক শহর আংশিক লকডাউন এর পথে। বিমান পরিষেবা ও ট্রেনের অবাধ চলাচল বন্ধ হতে পারে। গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশের ফিরল কারফিউ রাত্রিকালীন। সবার উদ্দেশ্যে কোভিদ যদি রাখা যায়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ কমে গিয়ে ফের বেড়েছে। জীবন-জীবিকা বাঁচাতে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে জনজীবন দীর্ঘ লকডাউনের পর।

লোকাল ট্রেন শতভাগ চালু হয়ে গিয়েছে । এখনও স্কুল-কলেজ খোলেনি বহু রাজ্যে। তবে ৯০ লক্ষ পার করেছে দেশের করোনা আক্রান্ত। তা রুখতে রাত্রিকালীন কার্ফু জারির পথে হাঁটল দেশের দুই রাজ্য— গুজরাত এবং মধ্যপ্রদেশ। এই দুই রাজ্যের বেশ কয়েকটি শহরে কার্ফু জারির কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য প্রশাসন।
মৃত্যু হয়েছে ৫৮৪ জনের গত ২৪ ঘণ্টায়। সবমিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১,৩২,১৬২। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী দেশের একাধিক শহরে । ২ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে মাস্ক না পরলে।

পরিস্থিতি সংকটজনক গুজরাটের আহমেদাবাদ ও মধ্যপ্রদেশের ভোপালে । শনি ও রবিবার কার্ফু জারি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। শনিবার থেকে রাজস্থানের সমস্ত জেলায় জারি হচ্ছে ১৪৪ ধারা। ভোপালেও কার্ফুর জারির কথা ভাবছে প্রশাসন।
মহারাষ্ট্র সরকার বিমান ও রেল যোগাযোগ বন্ধ করার কথা ভাবছে দিল্লির সঙ্গে ।‌ এর পাশাপাশি পন্ধরপুরে জারি হতে পারে কার্ফু। মুম্বইয়ে সমস্ত স্কুল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকার ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দৈনিক সংক্রমণ কমেছিল অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে গুজরাত এবং মধ্যপ্রদেশে । কমে তা নেমে গিয়েছিল এক হাজারের নীচে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে তা আবার ১ হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ওই দুই রাজ্যের যে শহরগুলিতে সংক্রমণ বেড়েছে তা রোখার জন্য ফের ফেরানো হল রাত্রিকালীন কার্ফু।

শেয়ার করুন