ঝাড়খন্ড বিজেপিতে আন্দোলনের পারদ চড়ছে, চাপ বাড়ল লালু’র

শুভজিৎ দত্তগুপ্ত,নিজস্ব প্রতিবেদক :পশুখাদ্য কেলেঙ্কারীর অভিযোগে গ্রেপ্তার জাতীয় জনতা দলের (আরজেডি) প্রধান লালু প্রসাদ যাদব বেশ কয়েকটি অসুখে ভুগছিলেন।বিগত ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মেডিকেল সায়েন্স ইনস্টিটিউট (রিমস)এ ভর্তি হওয়ার পর চারমাস আগে তাকে রিমস এর পরিচালক বাংলোয় স্থানান্তরিত করা হয়।

বর্তমানে নতুন পরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পরেও রিমস এর পরিচালক বাংলোয় লালু প্রসাদ যাদব থাকার দরুন তাকে রাজ্য গেস্ট হাউসে থাকতে হচ্ছে ,যার দৈনিক ভাড়া ৮০০ টাকা। বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনে নামতে চলেছে ঝাড়খণ্ডের রাজ্য বিজেপি ,রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র প্রতুল শাহদেও বলেছেন,”এটা আশ্চর্যের বিষয় যে মেডিকেল সায়েন্স ইনস্টিটিউট (রিমস)এর পরিচালক ভাড়া দিয়ে রাজ্য গেস্ট হাউসে থাকছেন আর একজন বন্দী তার বাংলোয় সরকারী পরিষেবা উপভোগ করছেন। “একজন অভিযুক্তের জন্য আবাসন ব্যয় হিসাবে কেন সরকার জনসাধারণের অর্থ ব্যয় করবে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি ।তিনি আরও বলেন, হেমন্ত সোরেন সরকার পশুখাদ্য কেলেঙ্কারীর অভিযুক্তর সাথে বিশেষ ব্যবহার করছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দীপক প্রকাশ ও প্রশ্ন তোলেন, জেল খাটছেন এমন একজন অভিযুক্তকে কেন রিমস ডিরেক্টরের বাংলোয় থাকতে দেওয়া হচ্ছে । তিনি বলেন ,করোনাভাইরাস সংক্রমণ যখন তীব্রতার সঙ্গে বাড়ছিল তখন রিমসে কোভিড ওয়ার্ড থাকার কারণে লালু প্রাসাদ যাদব কে সেখানকার পেয়িং ওয়ার্ড থেকে সরিয়ে পরিচালকের বাংলোয় স্থানান্তরিত করা হয় ,এখন ভাইরাসের সংক্রমণ হ্রাস পাচ্ছে তাই সরকারের উচিত বন্দীকে পরিচালকের বাংলো থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া।

যদিও ঝাড়খণ্ড কারাগারের দায়িত্বে থাকা মহাপরিদর্শক জানান, এখন পর্যন্ত তাঁর স্থানান্তরিত বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আইজি (কারাগার) উল্লেখ করেছেন কর্তৃপক্ষ আদালতের আদেশ মেনে চলবে।সম্প্রতি, লালু যাদব ঝাড়খণ্ড উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন যার শুনানি আগামী ২৭ শে নভেম্বর।

লালুযাদবের চিকিৎসক ডাঃ উমেশ প্রসাদ জানান “লালু যাদবের ১৬ টি রোগ রয়েছে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। “আমরা তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নথিগুলি জমা দিয়েছি এবং আদালতের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি ।”

শেয়ার করুন