মনসামঙ্গল কাব্যের ইতিহাস প্রসীদ্ধ স্থান ‘কালীদহ’ : উন্নয়নের দাবী

বারুইপুর : দক্ষিন চব্বিশ পরগনার বারুইপুরের অন্তর্গত কালিদহ ৷ যার নাম জুড়ে আছে মনসামঙ্গল কাব্যে ৷ ধপধপি স্টেশন থেকে একটু দক্ষিনে এগিয়ে এগিয়ে যেতেই চোখে পড়বে কালিদহ ৷ এর পূর্ব দিকে আলিপুর, উওর দিকে পদ্মজলা ও পশ্চিম দিকে চাঁদখালি দক্ষিন দিকে সূর্যপুর অবস্থিত ৷

মনসামঙ্গল কাব্য অনুসারে দেবী মনসা ‘কমলে কামিনী’ রুপ ধারন করে এখানেই আলোকপাত করেছিলেন ৷ সিংহলরাজকে তা দেখিয়ে দেবীর সহায়তায় বন্দী পিতাকে উদ্ধার করেছিলেন শ্রীমন্ত ৷ এই ইতিহাস এখানেও লোককথা হিসেবে প্রচলিত আছে ৷ দেবীর বিরুদ্ধাচারণ করতে গিয়ে চাঁদ সওদাগরের সপ্ত ডিঙার সলিলসমাধি হয় এখানেই ৷ এখনও এখানে মাঝে মধ্যেই মেলে জাহাজের ভগ্ন যন্ত্রাংশ ৷
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এখানে সাপে কাটলে কেউ বাঁচে না ৷ কোনো সাপুড়িয়া নাকি সাহস করে তাঁর বীন বাজায় না ৷ আবেগপ্পাবিত হয়ে চাঁদখালি গ্রামের কাশী ঘোষ বলছিলেন ‘একটি মাত্র ঝাউ গাছ বর্ষার জলে ডুবে গেলেও বর্ষার শেষে আবার প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে’ ৷ অথচ এই জায়গাটি দেখে বোঝার উপায় নেই এটিকে ঘিরেই ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছিলো ৷ এই স্থানটির সংস্কার ও উন্নয়নের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা ৷

শেয়ার করুন